পোস্টগুলি

রাগ নিয়ন্ত্রনের সহজ উপায়!

ছবি
রাগ নিয়ন্ত্রণের ৩টা সহজ টিপস যা আপনাকে শান্ত রাখবে! আপনি কি কখনও এমন পরিস্থিতিতে পড়েছেন, যখন রেগে গিয়েছিলেন এবং পরে বুঝতে পারেন যে, রাগটা আসলে আপনারই ক্ষতি করেছে? রাগ হলো এমন একটা অনুভূতি, যেটা আমাদের নিজেকেই কষ্ট দেয়, যখন আমরা অন্যদের উপর রেগে যাই। আর যখন রেগে যাই, তখন প্রায়ই মনে থাকে না যে, আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আজকে চলুন, রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু সহজ টিপস শিখে ফেলি। ১. একটু দেরিতে রেসপন্স করুন ধরুন, একজন আপনার দিকে কিছু বলল বা একটা মেইল লিখল, কিন্তু সেটা আপনার পছন্দ না। প্রথমে, খেয়াল করুন, আপনি রেগে যেয়ে যদি তৎক্ষণাৎ উত্তর দেন, তাহলে সমস্যা আরও বাড়বে। তাই, কিছু সময় থেমে যান। একটু অপেক্ষা করুন, তারপর আপনার ব্রেইন সঠিকভাবে চিন্তা করে এমন উত্তরের পথ দেখাবে যা সমস্যাটা আরও জটিল করতে না সাহায্য করবে। ২. মেজাজ খারাপ থাকলে দূরত্ব বজায় রাখুন যখন আপনি জানেন যে, আজকে আপনার মেজাজ ভালো নেই, আর আপনি জানেন যে কেউ কিছু করলে আপনি রেগে যাবেন, তখন সেদিন তাদের কাছ থেকে দূরে থাকুন। এটা আপনাকে রাগ করার হাত থেকে বাঁচাবে। মনে রাখবেন, শান্ত থাকলে আপনার নিজের পক্ষে সবচেয়ে ভালো! ৩. রাগ শেষে বিষয়টা ক্লো...

প্যাসিভ ইনকামে ফোকাস

ছবি
ইনকামের পরিমাণ যতই কম হোক, টাকা আয়ের জন্য আপনাকে কিছু না কিছু কাজ তো করতেই হবে। কিন্তু, আপনি জানেন কি? টাকা এমন কিছু উপায়ে আয় করা যায়, যেখানে আপনি কাজ না করলেও টাকা আসতে থাকবে। একে বলা হয় প্যাসিভ ইনকাম । আর আজকে আমরা জানবো কিভাবে প্যাসিভ ইনকাম বাড়াবেন এবং কেন এটা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ! প্যাসিভ ইনকাম কী? ধরা যাক, আপনি চাকরি করেন বা ব্যবসা করেন—এগুলো সবই একটিভ ইনকাম । এর মানে হচ্ছে, আপনাকে কাজ করতে হবে এবং পরিশ্রম করতে হবে টাকা উপার্জন করার জন্য। কিন্তু, প্যাসিভ ইনকাম হলো এমন কিছু জায়গা, যেখানে আপনি একবার ইনভেস্ট করে থাকলে, তার পর থেকে একটানা টাকা আসতে থাকবে—কোনো বিশেষ কাজ ছাড়াই। যেমন আপনি যদি ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করেন, তাহলে প্রতিমাসে অটোমেটিক আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হতে থাকবে। আপনি কিছুই করবেন না, টাকা আসবে! বড় উদাহরণ: বিল গেটস আর মার্ক জাকারবার্গ বিল গেটস, মার্ক জাকারবার্গ—এরা কেউই দিনে ২৪ ঘণ্টা মাইক্রোসফট বা ফেসবুকের অফিসে বসে কাজ করেন না। তবুও, এদের কোম্পানিগুলো চলতে থাকে আর টাকা উপার্জন করে। এটা একদম প্যাসিভ ইনকামের মতোই! তাদের কোম্পানিগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা, যেন কাজ চলে য...

ট্রাভেলের গোপন টিপস

ছবি
বাজেট কম মানেই মজা কম—এই ধারনাটা একদম ভুল! বাজেটে ঘুরতে গেলেও আপনি চাইলে এক্সাইটমেন্ট ফিল করতে পারেন। আজ জানুন কিভাবে কম বাজেটেও পুরো মজা নেয়ার টিপসগুলো। ট্রাভেল সিজনটা স্মার্টলি সিলেক্ট করুন শীতের শেষে টুরিস্ট স্পটগুলোতে মানুষের ঢল, আর সাথে সবকিছুর দামও বেড়ে যায়। অফ-পিক সিজনে ঘুরতে বের হলে হোটেল, খাবার, এমনকি ট্রান্সপোর্টের খরচও কমে যাবে। হোটেলের স্ট্যান্ডার্ড নয়, লোকেশন দেখে বুকিং করুন অতিরিক্ত লাক্সারি এভয়েড করে তুলনামূলক কম দামি হোটেল নিন। এছাড়া এয়ারবিএনবিও ট্রাই করতে পারেন। বা যদি আত্মীয়-স্বজনের কাছে থাকার ব্যবস্থা হয়, তাহলে তো বাজেট আরও বাঁচবে। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট মাস্ট! ট্যাক্সি বা প্রাইভেট কার নয়, রেগুলার পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বেছে নিন। এতে করে শুধু খরচই কমবে না, জায়গাটার আসল সংস্কৃতি কাছ থেকে ফিল করতে পারবেন। ফ্লাইট বুকিং সেভিংস বাজেটে ট্রাভেল মানে হল সস্তায় ফ্লাইট টিকিট। অফ-টাইমে বুকিং দিন, আর যদি ট্রানজিট টাইম বেশি হয় তাতে চিন্তার কিছু নেই—মূল্য কম থাকলেই হলো! লোকালদের হেল্প নিন অলসেন্স এ ট্যুরিস্ট স্পটের কাছের রেস্টুরেন্ট বা লোকালদের থেকে সেরা হেল্প পাবেন। এদের থেকে লোকাল স্প...

যে ইউনিভার্সিটি আপনাকে দেবে সেরা স্কিল, সেটাই বেছে নিন!

ছবি
উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন কমবেশি সবারই আছে, কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো: পাবলিক, প্রাইভেট নাকি বিদেশি ইউনিভার্সিটি? ঠিকঠাক সিদ্ধান্ত নিতেই আসছি আজকের এই গাইডলাইন নিয়ে! অনেকেই ভাবেন, পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেলেই সব সেট। কিন্তু মূলকথা হল, আপনি যেখানে পড়ছেন সেখানে যদি আসলেই শেখা হয়, সেটাই লাভ। তাই আগে ঠিক করুন কোন সাবজেক্টটা আপনাকে টানে। তারপর দেশ বাছুন আর আপনার বাজেট অনুযায়ী মেলানো ইউনিভার্সিটিগুলো লিস্ট করুন। ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং চেক: র‍্যাংকিং দেখে জানতে পারবেন ইউনিভার্সিটির স্ট্যান্ডার্ড, পড়াশোনার কোয়ালিটি, এবং আরও অনেক কিছু। গুগলেই সার্চ করে দেখতে পারেন আপনার পছন্দের ইউনিভার্সিটি কোথায় দাঁড়িয়ে। ব্রশিওর ঘেঁটে দেখুন: যেই ইউনিভার্সিটিই চোখে পড়ুক না কেন, অনলাইনে তাদের ব্রশিওর একবার ঘেঁটে দেখুন। কোর্স লিস্ট, সুযোগ-সুবিধা, এমনকি অফারিংও বুঝে নিতে পারবেন। সিনিয়রদের সাথে একটু কথা বলুন: আপনার পরিচিত কেউ যদি ওই ইউনিভার্সিটিতে পড়ে, তাহলে তাদের সাথে শেয়ার করুন আপনার কনফিউশন। বাস্তব অভিজ্ঞতা শুনে নিতে পারলে ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে পুরো ছবিটা পেয়ে যাবেন। আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা আর কার্যক্রম: ইউনি...

চাকরির স্যালারিতে ফোকাস করবেন কখন?

ছবি
ক্যারিয়ার ফোকাস : কখন এক্সপোজার, কখন বেটার স্যালারি ক্যারিয়ারের শুরুতে আমাদের ফোকাসটা থাকা উচিত এক্সপোজারে। কারণ এটাই সেই সময়, যখন নিজের স্কিল আর কাজ শেখা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করার সুযোগ বেশি থাকে। দেখুন কাজ কত দ্রুত শিখে ফেলতে পারেন, আর সাথে কী কী নতুন যোগ করছেন। প্রতিষ্ঠানের ভেতর যারা আছেন, তাদের কাজের ধরনটা বোঝার চেষ্টা করুন। এক্সপেরিয়েন্সের পেছনে সময় দিন, কারণ এর উপরই দাঁড়াবে আপনার ভবিষ্যৎ। কবে ফোকাস যাবে স্যালারিতে? এক্সপেরিয়েন্স ভালোভাবে হয়ে গেলে, তখন ফোকাসটা বেটার স্যালারি আর সুবিধার দিকে নিয়ে যান। মানে, এখন এমন চাকরি খুঁজুন যেখানে আপনি আগের চেয়ে বেশি কিছু অফার পাচ্ছেন। তখন হয়তো একটা ব্যাংক থেকে এফএমসিজি সেক্টরে চলে যাওয়া দারুণ একটা আপগ্রেড হতে পারে, যদি স্যালারি আর বেনিফিট ভালো হয়। কিন্তু যদি ব্যাংকেই আরও ভালো পজিশনের অফার পান, তাহলে হয়তো সেইটা লুফে নেওয়াই হবে স্মার্ট ডিসিশন। যতটা সম্ভব ফোকাসড থাকুন ক্যারিয়ারের প্রতিটি স্টেপে আপনার ফোকাস বদলাবে। তবে ঝোঁকের মাথায় কোনো ডিসিশন নিয়ে ফেলাটা বোকামি হতে পারে। ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে, যে কোনো সুযোগের মূল্যায়ন করুন। সুযোগের অপেক্ষায় বসে থ...

নির্ঘুম রাত শেষ হোক আজই!

ছবি
ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি: ঘুম ভালো না হলে কী করবেন? কেউ যদি বলে, “আজকে আমি খুব ভালো ঘুমিয়েছি,” তখন বোঝা যায় যে সেই দিনটা পুরো চমৎকার কাটবে। কিন্তু, ঘুমের সমস্যা আপনার রেগুলার হয়ে গেলে সেটা সত্যি খুব বাধা সৃষ্টি করে। ইনসোমনিয়া হয়ে গেলে তো সারাদিনটা সম্পূর্ণ মুড অফ হয়ে যায়। আর, এই ব্লগ থেকে আপনি শিখবেন কিভাবে কিছু বেসিক টিপস ফলো করে সহজেই ইনসোমনিয়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন। ঘুম না হওয়ার কারণ ঘুম না হওয়ার বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে: টেনশন শারীরিক অসুস্থতা উদ্বেগ অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এগুলো যত কম হবে, ততই আপনার ঘুমের সমস্যা ফিক্স হবে। ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি পেতে কী করবেন? নির্দিষ্ট সময় ঘুমানোর অভ্যাস করুন যতবার আপনি একই সময়ে ঘুমাতে যাবেন এবং একই সময়ে ঘুম থেকে উঠবেন, আপনার শরীর তার সাথে অভ্যস্ত হয়ে যাবে। শরীর যখন জানবে এটা ঘুমানোর সময়, তখন আপনার ঘুম স্বাভাবিক হয়ে যাবে। বিছানায় কোনও গ্যাজেট বা কাজের জিনিস না রাখুন বিছানায় যাওয়ার আগে, আপনার ফোন, ল্যাপটপ বা কোনও কাজের গ্যাজেট না রাখাই ভালো। বিছানা হবে শুধু ঘুমানোর জায়গা, তাতে আপনার ব্রেইন সিগন্যাল পাবে, “এই সময় ঘুমানোর।” ব্রেইনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈ...

খরচ কমানোর দারুন স্টেপ

ছবি
সময় যত যাচ্ছে, খরচের পাল্লা তত ভারি হচ্ছে। খরচ কমাতে গেলে হয়তো আমাদের জীবনযাত্রার মান কমে যাবে, এমন মনে করা ঠিক নয়। আসলে, খরচ কমাতে হবে, কিন্তু কিপটেমি করার কোনও দরকার নেই! সঠিকভাবে খরচ নিয়ন্ত্রণ করা হল মূল কথা। কিভাবে খরচ কমাবেন? আমরা টাকা উপার্জন করি খরচ করার জন্য, কিন্তু সব টাকা অপ্রয়োজনীয় কাজে খরচ করলে ভবিষ্যতে কঠিন সময় আসবে। এখনই সময় এসেছে নিজের খরচ নিয়ন্ত্রণে আনার। আসুন, ধাপে ধাপে দেখি কীভাবে আপনি খরচ কমাতে পারবেন: জীবনধারণের মৌলিক খরচ বাসা ভাড়া, ইউটিলিটি বিল (বাতি, পানির বিল), বাজার খরচ – এগুলো সব সময় আপনার মাসিক বাজেটে থাকবে। এই খরচগুলো নিয়মিত, তাই এগুলো ম্যানেজ করাটা অত্যন্ত জরুরি। শখের খরচ শপিং, বেড়াতে যাওয়া, খেতে যাওয়ার মতো খরচগুলোর উপর একটু কন্ট্রোল রাখা দরকার। এগুলোর ওপর যদি মনোযোগ না দেন, তবে অজান্তেই বাজেটের বাইরে চলে যেতে পারে। সেভিংস ও ইনভেস্টমেন্ট সেভিংস আর ইনভেস্টমেন্টের কথা তো নিশ্চয়ই ভাবছেন? এর জন্য একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আগে থেকেই আলাদা রাখুন, যেন কোনো প্রয়োজনীয় সময় কাজে আসে। সেভিংস না থাকলে কখনোই আপনি ফাইনান্সিয়ালি স্ট্যাবল থাকতে পারবেন না। ইনকাম বাড়ানোর প্র...