পোস্টগুলি

সিগারেট ছেড়ে দেবার সহজ টেকনিক!

ছবি
  সিগারেট ছাড়ার সহজ টিপস: এখনই শুরু করুন! সিগারেট ছাড়তে চাইলে ঠিক কীভাবে শুরু করবেন, ভাবছেন? চিন্তা করার দরকার নেই। কয়েকটা সিম্পল টিপস শেয়ার করছি, যেগুলো ফলো করে আপনি সিগারেটের ওপর দখল পেতে পারবেন! আজকাল সিগারেটের দাম বেড়েই চলছে আর প্যাকেটের ভয়ংকর ছবি তো আছেই। কিন্তু এসব কিছুই কি সিগারেট ছাড়তে সাহায্য করছে? না, এসব দেহের ক্ষতি ছাড়া কিছুই করছে না। সুতরাং, আপনাকেই নিতে হবে এক্সট্রা একশন। ডিটারমিনেশন হল সবচেয়ে বড় বিষয়। আপনি যদি সত্যি সত্যি সিগারেট ছাড়তে চান, একবার আরেকটি প্যাকেট না কিনে পুরোপুরি ছেড়ে দিন।   কমিয়ে খাওয়া, এক প্যাকেট থেকে আধা প্যাকেটে নামিয়ে আনা – এসব নিয়ে চিন্তা কেন? যখন ঠিক করেছেন ছাড়বেন, তখন পুরোপুরি ছেড়ে দিন।  অন্যথায়, নিজের সাথে খেলা করে লাভ নেই। কিছু মুহূর্ত থাকে, যখন আমাদের মনের মধ্যে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা চলে আসে। ধরুন, ব্রেকফাস্টের পর, লাঞ্চের পর, কিংবা টেনশনের সময়। এ সময়গুলোতে সাবধান থাকুন।  আমাদের ব্রেন কোন পরিস্থিতিতে নিজেকে রিওয়ার্ড দেয়?   কাজের চাপ কিংবা অন্য কোনো স্ট্রেসে সিগারেট খাওয়ার অনুভূতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে,  সিগারেটের বদ...

টাকাই কেন সব ?

ছবি
পকেটে যদি যথেষ্ট টাকা থাকে, তখন মনে হয় টাকার কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যখন টানাটানি শুরু হয়, তখনই আসল ব্যাপারটা ধরা পড়ে। তাই জীবনে ব্যালেন্স রাখাটা পুরুষদের জন্য খুবই জরুরি। আজকে কথা বলবো, কিভাবে টাকার সাথে ব্যালেন্স বজায় রাখা সম্ভব। টাকার মূল্য বুঝতে হবে যদি মনে করেন, জীবনে টাকা পয়সার কোনো গুরুত্ব নেই, তো বুঝে নিন যে আপনার সামনে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। কারণ, পুরুষকে মূলত তার অর্থনৈতিক অবস্থান দিয়ে মূল্যায়ন করা হয়। টাকা না থাকলে, জীবন দুর্বিষহ হয়ে যাবে। আপনি যা চাইবেন, তা আপনি পকেটের টাকায় কিনতে পারবেন না, আপনার প্রিয়জনও আপনাকে সেই চোখে দেখতে শুরু করবে। পরিবার আর নিজের জন্য টাকা উপার্জন আমিও বিশ্বাস করি টাকা সবকিছু নয়। টাকা থাকলেই সবকিছু কিনে ফেলা সম্ভব নয়, তবে কিছু মৌলিক প্রয়োজন পূরণ করার জন্য টাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজের পরিবারকে ভালো রাখতে আর নিজের সামাজিক অবস্থান ঠিক রাখতে, একটা মিনিমাম ইনকাম তো প্রয়োজনই। উপার্জন, কষ্ট আর ব্যালেন্স আপনি প্রতিদিন পরিশ্রম করে প্রচুর টাকা উপার্জন করছেন। কিন্তু এই উপার্জনের পথে হয়তো পরিবার থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন, নিজের স্বাস্থ্য খেয়াল করছেন না। আ...

রেস্টুরেন্ট এর নিয়ম কানুন

ছবি
রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে মজার মজার খাবারের সাথে একটা কুল এটিকেট মেইনটেইন করলে অভিজ্ঞতা আরও স্মুথ হয়। চলুন, দেখে নেই কীভাবে রেস্টুরেন্ট এটিকেট ফলো করবেন! ১. ধৈর্য ধরুন, ওয়েটার আসবেই! ওয়েটার আসতে একটু দেরি করলে চিন্তা নেই। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন, আর যদি খুব দরকার হয়, হাত তুলে একটু সিগন্যাল দিতে পারেন। ২. পপুলার আইটেম জানতে চেয়ে নিন মেনু দেখে কনফিউজড হলে ওয়েটারের কাছ থেকে রেস্টুরেন্টের জনপ্রিয় আইটেম নিয়ে আইডিয়া নিন। উল্টাপাল্টা অর্ডার করে আফসোস করার দরকার নেই! ৩. অন্যদের বিরক্ত করবেন না রেস্টুরেন্টে গিয়ে এমন কিছু করবেন না যাতে অন্যরা বিরক্ত হয়। হ্যাঁ, বন্ধুদের সাথে মজা করতে পারেন, তবে সেটা একটু কন্ট্রোল করে, যেন আশেপাশের মানুষগুলোও আরামে থাকতে পারে। ৪. বিলিং রুলস ফলো করুন খাওয়াদাওয়া শেষ? আরও ১৫-২০ মিনিট গল্প করে কাটাতে পারেন। এরপর ওয়েটারকে বিল দিতে বলুন, আর বিল পরিশোধ করে ফ্রেশ মুডে বেরিয়ে আসুন। এমন আরও ইন্টারেস্টিং টিপস জানতে Youman-এর সাথে কানেক্টেড থাকুন!

সাবজেক্ট ঠিক করুন নিজের স্বপ্নের ছকে ।

ছবি
বিষয়টা খুবই রিলেটেবল, তাই না? ফিজিক্স পড়ে সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করছেন, আর রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়ে ব্যাংকে জব করছেন—এই কনফিউশন শুধু আপনার একার না। কারণ, আমরা অনেকেই সাবজেক্ট চয়েস নিয়ে সিরিয়াস থাকি না। আজকে এই নিয়ে কিছু কথা বলব। আমরা নিজের পছন্দকে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যদের দেখাদেখি ডিসিশন নিয়ে ফেলি। কিছুদিন আগে দেখলেন সবাই কম্পিউটার সায়েন্স পড়া শুরু করল। আরেকটা সময়ে সবার লক্ষ্য ছিল বিবিএ। আসলে অন্যকে দেখে সাবজেক্ট চয়েস করার দরকার কী, যদি নিজের ইচ্ছেটা অ্যাডজাস্ট করতে হয়? মনে রাখবেন, যদি নিজের সাবজেক্ট পছন্দ না হয়, তবু সেটা পড়া শুরু করে দিন। তবে মানিয়ে নেয়ার নাম করে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সবকিছু করবেন না। কারণ, একদিন গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে, চাকরির ক্ষেত্রেও যখন ঠিকমত অ্যাডজাস্ট করতে পারবেন না, তখন সেটাই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আপনার সাবজেক্ট নিয়ে যদি আপনি পড়াশোনায় মন বসাতে না পারেন, ক্যারিয়ারেও সহজে মন বসবে না। ফলে প্রফেশনাল গ্রোথেও পিছিয়ে পড়ার চান্স থাকে। আমাদের দেশে আপনি যে সাবজেক্টে পড়াশোনা করবেন, সেই ফিল্ডে চাকরি নাও পেতে পারেন। তবে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সবকিছুতে অ্যাডজাস্ট করতে করতে আপ...

নতুন চাকরি নেবার আগে ভাবুন?

ছবি
চাকরি চেঞ্জ করব নাকি একই কোম্পানিতে থাকব? সহজে জানতে পড়ে নিন! একটা চাকরি নিয়ে থাকা ভালো, নাকি বারবার বদলানো বেটার? আসলে এক লাইনে উত্তর দেয়া সম্ভব না। চলো দেখে নেই কোনটা করলে কীভাবে লাভ হয়। ১. প্রথম চাকরিতে স্টেবিলিটি রাখা জরুরি: ক্যারিয়ারের শুরুতে প্রথম কোম্পানিতে কিছু সময় কাটানো উচিত। প্রথম ৩ বছর টানা কাজ করলে কাজ আর কোম্পানি কীভাবে চলে, পুরোটা ধরতে পারবেন। এই এক্সপেরিয়েন্স ভবিষ্যতে হেল্প করবে। ২. ঘন ঘন চাকরি চেঞ্জ করলেই সমস্যা: আজ ছয় মাস এক জায়গায়, কাল তিন মাস অন্যখানে—এভাবে ছোট ছোট কাজের এক্সপেরিয়েন্স সিভিতে খুব একটা লাভ দেয় না। ইন্টারভিউয়ার ভাববে, আপনি রিস্কি এমপ্লয়ি, যে কোনো সময় চাকরি ছেড়ে দিবেন। সুতরাং, একটু সময় নিয়ে, পরে বেটার সুযোগ খুঁজুন। ৩. কোম্পানি বদলানোর ক্ষেত্রে ফোকাস রাখুন: একই কোম্পানিতে কিছুদিন থাকার পর দেখুন, এতদিনে যে এক্সপেরিয়েন্স পেয়েছেন, তার ভিত্তিতে ভালো সুযোগ কোথায় পাবেন। যে কোম্পানিতে আছেন তার চেয়ে একটু উন্নত কোম্পানি টার্গেট করা উচিত। ৪. শুধু সেলারির পেছনে দৌড়াবেন না: নতুন জায়গায় বেশি টাকা পাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু ক্যারিয়ারের ভবিষ্যত আছে কি? সেলারি বাড়ার সাথে...

না বলা শিখবেন যেভাবে!

ছবি
"অনুরোধে ঢেঁকি গেলা" – মানে কারো অনুরোধে এমন কিছু করা যা হয়তো আপনার পক্ষে সম্ভব না বা আপনার জন্য আরামদায়ক না। আজকের বিষয়: কিভাবে এবং কখন না বলতে হয় । জানুন, নিজেকে কমফোর্টেবল রাখতে না বলার ক্ষমতা খুব জরুরি। না বলার টিপস: ১. নিজেকে কমফোর্টেবল রাখুন: যখনই আপনার মনে হয় কিছু অনুরোধ আপনার পক্ষে সম্ভব না, সরাসরি বলুন “না”। নিজেকে কোনো চাপের মধ্যে না ফেলাই ভালো। ২. ভনিতা করবেন না: কোনো এক্সকিউজ তৈরি করার দরকার নেই। শুধু সোজা না বলুন। সময় বা পরিস্থিতি বুঝে শান্তিপূর্ণভাবে নিজের সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন। ৩. অনুরোধের উদ্দেশ্য বুঝুন: যখন কেউ আপনার কাছে কোনো রিকোয়েস্ট করে, তাদের উদ্দেশ্য কী? সেটা জানুন। অনেক সময় রিকোয়েস্টটি খুব ইচ্ছে করে আসতে পারে, আবার কখনো আনইন্টেনশনাল হতে পারে। আপনি যদি বুঝে যান, তখন সহজে না বলতে পারবেন। ৪. বিন্দুমাত্র নো না বললে, রুড হতে পারে: ধরা যাক, কেউ আপনার কাছে ৫০০ বা ১০০০ টাকা ডোনেট করার জন্য বলে। আপনি দিতে চাইছেন না, কিন্তু সরাসরি না বলার কোন উপায় নেই। তখন, "এটা সম্ভব নয়" বললে অনেক বেশি প্রফেশনাল লাগবে, রুড না হয়ে। ৫. বন্ধুরা বিদেশে ট্যুরে যাচ্ছে, আপন...

ইন্সুরেন্স কি আসলেই দরকার

ছবি
ছেলেরা সাধারণত নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অতটা চিন্তা করে না। ইন্সুরেন্স? হ্যাঁ, প্রায়ই সেটাও আমরা এভয়েড করে যাই। কিন্তু আসলেই কি আমাদের ইন্সুরেন্স পলিসি কেনার দরকার? চলুন, আজকে খোলাখুলি আলোচনা করি। ইন্সুরেন্স কেন দরকার? আমরা সবাই জানি, আমাদের জীবনে নানা ধরনের অনিশ্চয়তা থাকে। কিন্তু ইন্সুরেন্সের সেলস এজেন্টরা আমাদের কাছে বারবার আসে এবং বলতে থাকে, "আপনার জীবন ছাড়া আর কিছুই স্থায়ী নয়।" তাদের কথাগুলো মাঝে মাঝে মনে হয় সত্যিই, কারণ ইন্সুরেন্স ছাড়া আপনি আপনার পরিবার বা নিজের ভবিষ্যৎকে সঠিকভাবে সুরক্ষা দিতে পারবেন না। তাহলে আসুন, নিজের জন্য ৪টা বেসিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখি, যাতে আপনি জানবেন আপনার ইন্সুরেন্স পলিসির প্রয়োজন আছে কি না: ১. আপনার অবর্তমানে কে আপনার পরিবারকে সাপোর্ট করবে? আপনি যদি না থাকেন, তাহলে আপনার পরিবারের কে দায়িত্ব নেবে? ইন্সুরেন্স আপনাকে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে সাহায্য করতে পারে। ২. আপনি যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন, কে আপনার দায়িত্ব নিবে? কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে, তাদের চিকিৎসা খরচ, লাইফস্টাইল মেইন্টেন করা অনেক চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ে। ইন্সুরেন্স আপনাকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে পারে।...