পোস্টগুলি

Healthy Living লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফোনটা নামিয়ে রেখে সত্যিকারের আনন্দ পাওয়ার ট্রিকস!

ছবি
ঘুমানোর আগে কী করলে সত্যি আরামে ঘুমাবে?  রাতে ঘুমাতে যাওয়া মানেই যুদ্ধ? শুতে গেলেই Netflix চালু, TikTok স্ক্রলিং অনলিমিটেড, বা random চিন্তার ওভারলোড?  সকালে উঠে মনে হয়, "কাল রাতে এত দেরি করলাম কেন?" আপনার যদি ঘুমের সাথে toxic relationship হয়ে থাকে, তাহলে এটা fix করার সময় এসেছে!  একটা স্মার্ট নাইট রুটিন থাকলে আরামের ঘুম + প্রোডাক্টিভ সকাল দুটোই পেতে পারেন! কীভাবে? চলুন দেখে নেই   রাতের রুটিন কেন দরকার? একটু ভাবুন—আপনি যদি প্রতি রাতে random টাইমে ঘুমান, তাহলে আপনার ব্রেন আর বডি confused হয়ে যাবে। আর তখনই শুরু হবে ঘুম না আসা, মুড অফ, দিনভর অলসতা আর সকালবেলা এলার্ম বন্ধ করে ১০ বার স্নুজ দেওয়া! কিন্তু, একটা স্টেবল রুটিন থাকলে আপনার ব্রেন জানবে, "ওহ, এই সময় আসলে আমাকে শান্ত হয়ে ঘুমাতে হবে।" ফলে আপনি আরামে ঘুমাবেন, সকালটা দারুণ যাবে, আর দিনটা হবে একদম প্রোডাক্টিভ!   পারফেক্ট নাইট রুটিন বানানোর ৬টা স্মার্ট স্টেপ! ১। "Screens Off, Mind On" – ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে স্ক্রিন বন্ধ করুন! আমাদের চোখ আর ব্রেন স্ক্রিনের ব্লু লাইট একদমই পছন্দ করে না! এটা আমাদের মেলাটোনিন...

ওভারথিঙ্কিং বন্ধ করো! মাইন্ডফুলনেসের ম্যাজিক শিখে নাও!

ছবি
ওভারথিঙ্কিং বন্ধ করো! মাইন্ডফুলনেসের ম্যাজিক শিখে নিন ! আপনি কি কখনও এমন অবস্থায় পড়েছেন যেখানে একটা ছোট বিষয় নিয়ে ভাবতে ভাবতে পুরো সিনেমা বানিয়ে ফেলেছেন?  ধরুন, কাউকে একটা মেসেজ পাঠালেন, কিন্তু Seen হলেও রিপ্লাই নেই। ব্যস! আপনার ব্রেন তখনই ১০০টা possible scenario বানিয়ে ফেলবে – "ও কি আমার উপর রাগ?" "আমি কি কিছু ভুল বললাম?" "নাহ, ও এখন আমার সাথে কথা বলতেই চায় না!" Reality: ও হয়তো ব্যস্ত ছিল বা ভুলে গেছে! Your Brain: “ওহ, আমায় ব্লক করার প্ল্যান করতেছে !” এটাই ওভারথিঙ্কিং। একটা সাধারণ বিষয় থেকে অযথা স্ট্রেস নেওয়া, আর নিজের মনের মধ্যেই একটা যুদ্ধ তৈরি করা! কিন্তু, এই লুপ থেকে বের হতে হলে কী করবেন? চিন্তা নেই! মাইন্ডফুলনেস আছে না?   মাইন্ডফুলনেস কী? আর এটা কিভাবে কাজ করে? মাইন্ডফুলনেস মানে হচ্ছে বর্তমান মুহূর্তে পুরোপুরি থাকা। মানে "past নিয়ে আফসোস" বা "future নিয়ে টেনশন" না করে এই মুহূর্তে মনোযোগ দেওয়া। Imagine, আপনি চা খাচ্ছেন, কিন্তু মাথার মধ্যে exam, deadline, বন্ধুদের কথা, social media drama সবকিছু চলছে। তাহলে চা খাওয়ার স্বাদই বুঝতে পার...

চা- কফিকে জানান বিদায়

ছবি
  চা বা কফি—নেশা না, শরীরের বন্ধু? আপনি কি নিয়মিত চা বা কফি পান করেন? যদি খুব বেশি হয়ে যায়, তাহলে হয়তো এটা আপনার নেশায় পরিণত হয়ে যাচ্ছে। আজকে জানবো কিভাবে সঠিক নিয়মে চা বা কফি খেলে শরীর থাকবে ফিট এবং এনার্জেটিক। ১. সময়মতো খাওয়ার নিয়ম চা বা কফি সঠিক সময় আর পরিমাণে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। খালি পেটে চা বা কফি খাওয়া একদমই ভালো না। সকালে উঠে গরম পানি বা লেবু পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন। আবার রাতে ঘুমের আগে চা বা কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। ২. চা বা কফি বেশি খেলে কী হয়? অতিরিক্ত চা বা কফি খাওয়ার ফলে নানা স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে—যেমন নির্বোধ হাই ব্লাড প্রেসার, ঘুমের সমস্যা, বা নার্ভাসনেস। তাই মনে রাখবেন, চা বা কফি মিতব্যয়ীভাবে খাওয়াই শ্রেয়। ৩. আদা বা তুলসি চা খান! রেগুলার চায়ের বদলে আদা চা, তুলসি চা, বা লেবু চা খান। এগুলো আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং নেশা কমাতে সাহায্য করবে। আর কি, শরীরের কোনো ক্ষতি হবে না!  ৪. চা বা কফি খেলে কি সমস্যা হয়? চায়ে ট্যানিন থাকে, যা আয়রনের কার্যক্রম বাধা দেয়। আর কফি শরীরের ক্যালসিয়ামের পরিপাক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত কর...

রেস্টুরেন্টে যখন একা

ছবি
একা একা খেতে গেলে কারো কারো অস্থির লাগে, বুঝতে পারি! এমন হলে চিন্তার কিছু নেই, বরং ছোট্ট কিছু ট্রিকস ফলো করলেই একা খাওয়া অনেক সহজ হয়ে যাবে। চলুন দেখি কীভাবে একা খাওয়ার সময়টাও ভালো কাটানো যায়। ১. কর্নার টেবিল বেছে নিন কোণার টেবিল ধরুন। এতে করে ভিড় এড়িয়ে একান্তে বসে আরাম করে খেতে পারবেন, অন্যদের তাকানোরও সুযোগ কম থাকে। ২. মুড-বুস্টার কিছু নিয়ে যান খাবারের জন্য অপেক্ষার সময়টুকু কাটাতে ফোনে প্রিয় গান শুনুন বা কোনো পছন্দের বই নিয়ে পড়া শুরু করুন। বই বা গান আপনাকে কিছুক্ষণের জন্য অন্য জায়গায় নিয়ে যাবে, একাকিত্ব থাকবেই না! ৩. আত্মীয় বা বন্ধুকে কল দিন একটুতেই বিরক্ত লাগলে কোনো বন্ধুকে বা আত্মীয়কে কল দিয়ে গপ্পো করতে পারেন। গল্প করতে করতে কখন যে খাওয়া শেষ হয়ে যাবে, টেরই পাবেন না! ৪. পরিচিত রেস্টুরেন্টে যান একটু বেশি অনীহা থাকলে পরিচিত রেস্টুরেন্টে যান। এখানকার পরিবেশ আর পরিচিত ওয়েটার আপনাকে স্বাচ্ছন্দ্য দেবে। আরও এমন মজার টিপস পেতে Youman কমিউনিটিতে যোগ দিন। আমাদের ফলো করুন আর প্রতিটি মুহূর্তকে উপভোগ করুন নিজের মতো করে!      

সহজেই ছেড়ে দিন চিনি!

ছবি
চিনি ছাড়ার ৫টি সিম্পল টিপস, যা আপনার শরীরের জন্য হবে ভালো আপনি যদি ভাবছেন, চিনি খাওয়া ছাড়তে পারবেন কিনা, তাহলে চিন্তা করার কিছু নেই! আজকের ব্লগে জানবো কিভাবে চিনি খাওয়া বাদ দেওয়া যায় এবং কেন এটা আপনার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ১. চিনি কি আসলে নেশা? হ্যাঁ, সুগার (সুক্রোজ) একধরনের নেশা। বেশি চিনি খেলে শরীরের হরমোন ব্যালান্স নষ্ট হয়ে যায়, যার ফলে প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার, লিভার ড্যামেজ, আর কিডনি সমস্যা হতে পারে। তাই চিনির প্রতি ইন্টারেস্ট কমিয়ে কোয়ালিটি অফ লাইফ বাড়ান। ২. চিনির জায়গায় খাবেন এটা চিনি ছাড়া শসা এবং পুদিনার জুস একদম রিফ্রেশিং। গরমের দিনে ঠাণ্ডা পানি খাওয়া একেবারে সেরা। বাজারে পাওয়া ড্রিঙ্কস বা জুস এভয়েড করুন, কারণ এগুলোতে প্রচুর অ্যাডেড সুগার থাকে। ফ্রেশ এবং নেচারাল খাবার সবসময় ভালো। ৩. ডেজার্ট থেকে থাকুন দূরে চিনি যুক্ত ডেজার্ট খেলেও আপনার ব্লাড প্রেসার বাড়বে। তাই ফ্রেশ ফল খাওয়া আপনার শরীরের জন্য অনেক ভালো। একদম সুগার ফ্রি ট्रीটস চাইলে টাটকা ফল খান, এতে ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেলস সব পাওয়া যাবে। ৪. সসগুলোর দিকে নজর দিন খেয়াল রাখুন যে আপনার পছন্দের কেচাপ, বারবিকিউ সস, আর চিলি সস এ...

ভোরে ওঠার ৪টি টিপস

ছবি
সকালে উঠে দিন শুরু করলে সফলতা বেশি! আপনি যদি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিসে গিয়ে পুরো দিনটা ভালোমতো কাটান, তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন কতটা ফ্রেশ আর প্রডাকটিভ হতে পারেন। কিন্তু সকালে উঠে দেরি করে ঘুম থেকে উঠলে দিনটা স্ট্রেস আর হ্যাস্ত হয়ে যায়, তাই না? তো, চলুন দেখে নি কিভাবে ভোরে উঠার অভ্যাসটা তৈরি করা যায়। ১. দিনটা শুরু করার আগে এক্সারসাইজ করুন সকালে উঠে, আপনি যদি শুধু বিছানায় শুয়ে থাকেন, তাহলে কিন্তু কোন কাজের আগ্রহ আসবে না। এর চেয়ে একটু এক্সারসাইজ বা হালকা স্ট্রেচিং করলে সারা দিনের এনার্জি পাবেন। মনে রাখবেন, ফিজিক্যাল একটিভিটি আপনার মস্তিষ্ককে সজাগ করে তোলে, এবং আপনি দ্রুত ফোকাস করতে পারবেন। ২. টাইম ম্যানেজমেন্টে থাকুন সকালে ঘুম থেকে উঠে সময়টা নিজের জন্য দিন। হালকা এক্সারসাইজের পর, রিলাক্স হয়ে ব্রেকফাস্ট করুন। একটা টাইম টেবিল তৈরি করে দিনের কাজগুলোকে প্ল্যান করুন। আপনি যখন সকালে উঠে একটা গুছানো পরিকল্পনা মেনে চলবেন, তখন বুঝতে পারবেন আপনার দিনটা প্রোডাকটিভ হয়ে গেছে। ৩. মর্নিং রুটিন তৈরি করুন সকালে উঠে যদি আপনি পরিশ্রম করেন, সেটা আপনার সারাদিনের কাজের গতিকে ইফেক্টিভ করবে। যদি আপনি সকাল...

শেভিং-এর যত নিয়ম কানুন

ছবি
শেভিং করলেই ত্বক ভালো থাকবে, তবে সঠিক নিয়মে! শেভিং করলেই ত্বক মসৃণ হয়ে যাবে এমন না। ভুল নিয়মে শেভ করলে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। আর যেহেতু আমরা প্রায়ই শেভ করি, তাই চলুন দেখে নিই বেসিক শেভিং টিপস যা মেনে চললে আপনার ত্বক থাকবে সুস্থ এবং ঝকঝকে! ১. সঠিক শেভিং ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করুন শেভিং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সঠিক রেজার। ভালো ব্রান্ডের রেজার ব্যবহার করা জরুরি। একদিন পরপর শেভ করলে দুই সপ্তাহ পর পর রেজার চেঞ্জ করতে হবে, আর যদি আপনি সপ্তাহে একবার শেভ করেন, তাহলে চার সপ্তাহ পর পরপর রেজার চেঞ্জ করুন। ওয়ান টাইম রেজার তো একবার ব্যবহার করেই ফেলে দিন, আর সেটা ১০ বার পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। ২. শেভিং ফোম/জেল ব্যবহার করুন শেভ করতে হলে শেভিং জেল বা শেভিং ফোম ব্যবহার করা উচিত। দাড়ি নরম করতে, ৫-৭ মিনিট অপেক্ষা করে শেভ শুরু করুন। যদি শেভিং জেল না থাকে, আপনি হেয়ার কন্ডিশনার বা সাবানও ব্যবহার করতে পারেন, তবে সাবানের ব্যবহারটা একটু কম করাই ভালো। ৩. নিয়মিত শেভ করবেন, কিন্তু সাবধানে প্রতিদিন শেভ করলে ত্বকের ডেড সেলস উঠে আসে, তবে সেটা ত্বকের জন্য ভালো নয়। চেষ্টা করুন ৭ দিন পর পর শেভ করতে, তা...

রাগ নিয়ন্ত্রনের সহজ উপায়!

ছবি
রাগ নিয়ন্ত্রণের ৩টা সহজ টিপস যা আপনাকে শান্ত রাখবে! আপনি কি কখনও এমন পরিস্থিতিতে পড়েছেন, যখন রেগে গিয়েছিলেন এবং পরে বুঝতে পারেন যে, রাগটা আসলে আপনারই ক্ষতি করেছে? রাগ হলো এমন একটা অনুভূতি, যেটা আমাদের নিজেকেই কষ্ট দেয়, যখন আমরা অন্যদের উপর রেগে যাই। আর যখন রেগে যাই, তখন প্রায়ই মনে থাকে না যে, আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আজকে চলুন, রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু সহজ টিপস শিখে ফেলি। ১. একটু দেরিতে রেসপন্স করুন ধরুন, একজন আপনার দিকে কিছু বলল বা একটা মেইল লিখল, কিন্তু সেটা আপনার পছন্দ না। প্রথমে, খেয়াল করুন, আপনি রেগে যেয়ে যদি তৎক্ষণাৎ উত্তর দেন, তাহলে সমস্যা আরও বাড়বে। তাই, কিছু সময় থেমে যান। একটু অপেক্ষা করুন, তারপর আপনার ব্রেইন সঠিকভাবে চিন্তা করে এমন উত্তরের পথ দেখাবে যা সমস্যাটা আরও জটিল করতে না সাহায্য করবে। ২. মেজাজ খারাপ থাকলে দূরত্ব বজায় রাখুন যখন আপনি জানেন যে, আজকে আপনার মেজাজ ভালো নেই, আর আপনি জানেন যে কেউ কিছু করলে আপনি রেগে যাবেন, তখন সেদিন তাদের কাছ থেকে দূরে থাকুন। এটা আপনাকে রাগ করার হাত থেকে বাঁচাবে। মনে রাখবেন, শান্ত থাকলে আপনার নিজের পক্ষে সবচেয়ে ভালো! ৩. রাগ শেষে বিষয়টা ক্লো...

নির্ঘুম রাত শেষ হোক আজই!

ছবি
ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি: ঘুম ভালো না হলে কী করবেন? কেউ যদি বলে, “আজকে আমি খুব ভালো ঘুমিয়েছি,” তখন বোঝা যায় যে সেই দিনটা পুরো চমৎকার কাটবে। কিন্তু, ঘুমের সমস্যা আপনার রেগুলার হয়ে গেলে সেটা সত্যি খুব বাধা সৃষ্টি করে। ইনসোমনিয়া হয়ে গেলে তো সারাদিনটা সম্পূর্ণ মুড অফ হয়ে যায়। আর, এই ব্লগ থেকে আপনি শিখবেন কিভাবে কিছু বেসিক টিপস ফলো করে সহজেই ইনসোমনিয়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন। ঘুম না হওয়ার কারণ ঘুম না হওয়ার বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে: টেনশন শারীরিক অসুস্থতা উদ্বেগ অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এগুলো যত কম হবে, ততই আপনার ঘুমের সমস্যা ফিক্স হবে। ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি পেতে কী করবেন? নির্দিষ্ট সময় ঘুমানোর অভ্যাস করুন যতবার আপনি একই সময়ে ঘুমাতে যাবেন এবং একই সময়ে ঘুম থেকে উঠবেন, আপনার শরীর তার সাথে অভ্যস্ত হয়ে যাবে। শরীর যখন জানবে এটা ঘুমানোর সময়, তখন আপনার ঘুম স্বাভাবিক হয়ে যাবে। বিছানায় কোনও গ্যাজেট বা কাজের জিনিস না রাখুন বিছানায় যাওয়ার আগে, আপনার ফোন, ল্যাপটপ বা কোনও কাজের গ্যাজেট না রাখাই ভালো। বিছানা হবে শুধু ঘুমানোর জায়গা, তাতে আপনার ব্রেইন সিগন্যাল পাবে, “এই সময় ঘুমানোর।” ব্রেইনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈ...